কনটেন্ট রাইটিং টিপস

নটেন্ট রাইটিং টিপস শিখতে আসার জন্য আপনাকে স্বাগতম ।  আমি একজন ব্লগার এবং আমিও আপনার মত একই সমস্যায় পড়েছি অনেক বার। আমি চাই আমার মত সমস্যায় আর যেন কেউ না পরে। অনেক সহজ কিছু টিপস দেব, যা আপনাকে ব্লগ পোস্ট লিখার জন্য টপিক খুঁজে বার করতে সহায়তা করবে । কনটেন্ট রাইটিং টিপস আরও।

কনটেন্ট রাইটিং টিপস: 

১. গুগল সাজেশন ।
২. নিজের পুরাতন পোস্ট ।
৩. Quora থেকে ।
৪. অন্য ব্লগ থেকে আইডিয়া নেওয়া।
৫. আপনার ব্লগ কমেন্ট থেকে।
৬. নিজে চিন্তা করুন।

গুগল সার্চ সাজেশন

আপনি যখন গুগলে কোনো কিছু খোঁজেন, একটু লক্ষ্য করে দেখবেন সার্চবারে আপনি লিখার সাথে সাথে অটোমেটিক কিছু কীওয়ার্ড লিখা চলে আসে।
এই গুলোকে বলা হয়, গুগলে সার্চ সাজেশন । অথবা কোনো কিছু সার্চ দেওয়ার পর, সার্চ রেজাল্ট পেজের একদম নিচের দিকে এই সার্চ সাজেশন দেখা যায়।

মনে করুন, আপনি সার্চ দিয়েছেন “কিভাবে ভাত রান্না করতে হয়” ।

এইটা লিখে সার্চ করলে, দেখবেন গুগল আপনাকে অনেক গুলো কীওয়ার্ড সাজেস্ট করবে। অর্থাৎ অন্য ভিজিটর রা যা যা লিখে সার্চ করেছে, গুগল আপনাকে ওই কীওয়ার্ড গুলো সার্চ সাজেশন এ দেখাবে।

আপনাকে দেখাবে, “কিভাবে ঝরঝরা ভাত রান্না করতে হয়”,
বা
“নরম ভাত কিভাবে রান্না করতে হয়।”
বা
“ভাত রান্না করার সময় চুলার তাপ কেমন হবে।”

এই রকম বিষয় আপনাকে সাজেস্ট করবে। এইখান থেকে আপনি খুব সহজে আপনার পরবর্তী পোস্ট লিখার বিষয় খুঁজে বের করতে পারবেন।

নিজের পুরাতন পোস্ট

আপনার সাইটে যদি নিয়মিত ভিজিটর আসতে থাকে তাহলে দেখবেন , আপনার কমেন্টে ভিজিটররা বিভিন্ন বিষয় জানতে চাচ্ছে । তখন ঐ বিষয় গুলোর উপর পোস্ট লিখুন ।

Quora থেকে

Quora এমন একটি ওয়েব সাইট যেখানে মানুষ এসে প্রশ্ন করে , আর যাদের ওই প্রশ্নের উত্তর জানা থাকে তারা উত্তর দিয়ে যায়।

আপনার উদ্দেশ্য তো একই। মানুষ কি খুঁজছে। Quora তে মানুষ যা খুঁজছে। ওই বিষয়ে পোস্ট লেখেন ।

 

অন্য ব্লগ থেকে আইডিয়া

৫ থেকে ৬ টা ব্লগ সাইট ফলো করুন। ওরা যে বিষয় এর উপর পোস্ট লিখছে, আপনিও ওই বিষয়ের উপর পোস্ট লেখেন । এইটা সব থেকে সহজ উপায়।

নিজের চিন্তা ভাবনা

গভীর ভাবে ভেবে দেখুন । আশেপাশের মানুষ সব থেকে বেশি কি খুঁজছে। একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন, মানুষ এখন মোবাইল, টিভি , ফার্নিচার এই সব বিষয়ে নেট এ অনেক সার্চ দিচ্ছে। এই বিষয় গুলো সম্পর্কে লিখুন।

কিভাবে আপনার সাইটে দ্রুত ভিজিটর আসবে?

ব্লগ রাইটিং কি? 

ব্লগ রাইটিং হলো সাংবাদিকতার মত। আপনার একটি ওয়েব সাইট থাকবে, সেখানে আপনি বিভিন্ন বিষয়ে লিখালিখি করবেন। আপনার যা ভালো লাগে। মানুষ আপনার সাইটে এসে আপনার লেখা পড়বে। সহজ ভাষায় এটাকেই ব্লগ রাইটিং বলে। ব্লগ রাইটিং করে প্রতি মাসে অনেক টাকা আয় করা যায়। সর্বনিম্ন ১০০ ডলার থেকে ১ কোটিরও বেশি আয় করা যায়। ব্লগিং করে কিভাবে টাকা আয় করা যায় বিস্তারিত এখানে দেখুন । 

আর্টিকেল লেখার জন্য কি জানতে হবে

সুন্দর একটা আর্টিকেল লেখার জন্য আপনাকে যে বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে তা হল। 

  • আপনার ভাষা সুন্দর হতে হবে । 
  • সাধু এবং চলিত ভাষা মিশে ফেলা যাবে না।
  • লেখার ফরমেট ঠিক থাকতে হবে। 
  • যে ছবিগুলো ব্যবহার করবেন সেগুলো অবশ্যই ইমেজ সোর্স দিতে হবে ।
  • পোস্টে কোন স্ক্রিনশট ব্যবহার করলে , অবশ্যই ভালোভাবে স্ক্রিনশট নিতে হবে। 
  • পোস্টে অবশ্যই সূচিপত্র ব্যবহার করবেন। 
  • আর্টিকেল কে আরো সুন্দর করতে ফেসবুক পেজ লিংক অথবা ডাউনলোড লিংক ইত্যাদি বাটন ব্যবহার করুন। 
  • আর্টিকেল যে কিওয়ার্ড দিয়ে লিখেছেন ভালোভাবে তা অপটিমাইজ করুন। 

 

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করার সাইট

বাংলা আর্টিকেল লিখে আপনি প্রতি মাসে 10 থেকে 40 হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। এখন কথা হল আপনার আর্টিকেলগুলো বিক্রি করবেন কোথায়। এটা নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই, বর্তমানে বাংলাদেশের ব্লগিং দারুন একটি পেশা। অনেকেই এই পেশাকে বেছে নিয়েছে। সবাই তাদের সাইটের জন্য আর্টিকেল লেখার সময় পায়না। অনেকেই আছে তাদের ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল কিনে থাকেন। ইংরেজি আর্টিকেল হলে আপনি ওডেস্ক আপওয়ার্ক ইত্যাদি ওয়েবসাইটে বিক্রি করতে পারবেন। বাংলা আর্টিকেল বিক্রি করতে হলে আপনাকে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ এ যোগাযোগ করতে হবে। এছাড়াও আপনার আশেপাশে যারা এসইও এবং ব্লগিং করে থাকে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে আপনার আর্টিকেল বিক্রি করতে পারবেন। 

 

হ্যাঁ আপনার চিন্তা আমি বুঝতে পেরেছি। ভাবছেন একটা আর্টিকেল এর দাম কেমন হবে। আর্টিকেল এর মূল্য নির্ভর করে আপনি কত কিওয়ার্ডের আর্টিকেল লিখেছেন। স্বাভাবিক হবে আপনার কি বর যদি 500 থেকে 700 হয় তাহলে সেই আর্টিকেল আপনি 70 থেকে 100 টাকা বিক্রি করতে পারবেন । এবং আপনার আর্টিকেল যদি 1000 কীওয়ার্ডের উপরে হয় তাহলে প্রায় 200 টাকা বিক্রি করতে পারবেন। 

যত বেশি কীওয়ার্ড হবে তত বেশি দাম হবে। 

দামের তালিকা: 

 

কীওয়ার্ড মূল্য
৫০০-৭০০ ৭০-১০০ টাকা
৭০০-১২০০ ১০০-১৫০ টাকা 
১২০০-১৫০০ ১৫০-১৮০ টাকা
১৫০০-২০০০ ২০০-২৫০ টাকা 
২০০০- ৫০০০ ৩০০ টাকা

কন্টেন্ট রাইটিং PDF

অনেক কনটেন্ট রাইটার কন্টাক্ট লেখার পরে বাইরে পাঠানোর সময় বিপদে পড়ে যায়। ভাই আর সব সময় কন্টেন পিডিএফ ফাইল আকারে চায়। একটি ওয়ার্ড ফাইল পিডিএফ পড়তে হলে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ডাউনলোড দিতে হয়। কিন্তু আমি সত্যি বলছি যার সাহায্যে আপনি কোন প্রকার সফটওয়্যার ছাড়া আপনার ফাইল কে পিডিএফ ফাইলে পরিবর্তন করতে পারবেন। 

বাংলায় কন্টেন্ট রাইটিং

বাংলা টাইপিং অনেক কটিন। এই কঠিন কাজকে সহজ করে দিয়েছে “গুগল কীবোর্ড”। গুগল কীবোর্ড দিয়ে আপনি খুব সহজে বাংলা টাইপিং করতে পারবেন এবং মুখ দিয়ে বলবেন, সাথে সাথে বাংলা লিখা হয়ে যাবে। 

কাজটি আপনি আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে করতে পারবেন । দুইভাবেই বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো। 

 

মোবাইল

প্লেস্টোর থেকে “G board” ইন্সটল করুন। ছবিতে চিহ্নিত বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে ছবিতে যেমন কীবোর্ড দেখছেন, এমন কীবোর্ড আসবে। ডান পাশের কোনায় মাইক্রোফোনের উপর ক্লিক করলে ভয়েস টাইপিং শুরু হয়ে যাবে। এখন মুখ দিয়ে যা বলবেন, তাই লিখা হয়ে যাবে। 

বিস্তারিত ভিডিও দেখুন :

 

কম্পিউটার

গুগল ডকস নাম শুনেছেন হয় তো। না শুনলে সমস্যা নাই। এটি গুগলের “এম এস ওয়ার্ড” । এইখানে আপনি লিখলেখি করতে পারবেন । এই গুগল ডকে ভয়েস টাইপিং করা যায়। 

এই পোস্ট থেকে কি শিখলাম

আমার সবটুকু দিয়ে আমি আপনাদের জানানোর চেষ্টা করেছি, কিভাবে পোস্ট লিখার আইডিয়া খুঁজে পাবেন। আশা করি, এই কথা গুলো মেনে চললে, আপনি পোস্ট বা আর্টিকেল লিখার জন্য টপিক শেষ করতে পারবেন না।

By Mahedi

লেখালেখি আমার সখ ও পেশা। আমি টেক্সটাইল এর উপর বিএসসি করেছি। কিন্তু পেশা হিসেবে ব্লগিংকে বেছে নিয়েছি। বর্তমানে এটি খুবই সন্মানজনক পেশা। আমি সাধারণত খেলাধুলা, ছবি, পড়াশোনা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে লিখতে ভালবাসি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *